
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
ঢাকা মেডিকেলে চান্স পেলেন পবিপ্রবি’র ট্রেজারারের একমাত্র ছেলে খালিদ
পটুয়াখালী বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি)’র ট্রেজারার অধ্যাপক মোঃ আবদুল লতিফ এর একমাত্র ছেলে মোঃ খালিদ বিন ওয়ালিদ এ বছরের মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় উত্তির্ন হয়েছে। গত ১৭ জানুয়ারি ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে।
খালিদ বিন ওয়ালিদ পাঁচ বছর বয়সে তানজিমুল উম্মাহ ক্যাডেট মাদ্রাসায় ১ম শ্রেণীতে ভর্তি হয়। সেখানে একাডেমিক পড়াশুনার পাশাপাশি পবিত্র আল কুরআনের হেফজ করা শুরু করে এবং ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়াকালিন তার প্রাথমিক হেফজ শেষ হয়। ৮ম শ্রেণীতে পড়াকালিন সময়ে হেফজ পুরোপুরি শেষ করে।
পবিত্র কুরআন হেফজের পাশাপাশি খালিদ ৫ম ও ৮ম শ্রেণীতে গোল্ডেন এ প্লাস পায়। পরে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী সাগরদী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে গোল্ডেন এ প্লাস সহ দাখিল (এসএসসি) পাস করে।
পরবর্তিতে বরিশালের সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ (গোল্ডেন) পেয়ে উত্তির্ন হয়। সে শীর্ষ মেডিকেল ভর্তি কোচিং রেটিনার ডক্টর হান্টস পরীক্ষায় ২৯তম হয়েছেন। তার মাতার নাম ফয়জুন্নাহার, তিনি একজন স্বনামধন্য গৃহিণী ।
খালিদ বিন ওয়ালিদ ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন “আমি সত্যিই খুব আনন্দিত এবং কৃতজ্ঞ। ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পাওয়া আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল, আর আজ সেটা পূরণ হয়েছে। এই সাফল্যের জন্য আমি আমার বাবা-মা, শিক্ষকদের এবং আমার বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞ, যাদের সমর্থন ছাড়া এটা সম্ভব হতো না। কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং আত্মবিশ্বাসই আমাকে এখানে পৌঁছে দিয়েছে। আমি ভবিষ্যতে একজন দক্ষ ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।”
উল্লেখ্য ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় সরকারি-বেসরকারি মেডিকেলের জন্য ৬০ হাজার ৯৫ জনকে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অনলাইনে মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬৫টি আবেদন জমা পড়ে। তার মধ্যে ১ লাখ ৩১ হাজার ৭২৯ জন পরীক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এসব পরীক্ষার্থীদের মধ্যে এ বছর ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজের ৫ হাজার ৩৮০টি আসনে এবং ৬৭টি অনুমোদিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ৬ হাজার ২৯৩টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।।
স্বাক্ষরিত/=
মুহাম্মদ ইমাদুল হক প্রিন্স
ডেপুটি রেজিস্ট্রার
জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।